Saturday , May 25 2019

জয়া আহসানকে নিয়ে কলকাতার নায়িকাদের ‘মাথা গরম’

বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান এখন দুই বাংলায় ব্যাপক জনপ্রিয়। বাংলাদেশে যেমন তিনি দাপিয়ে অভিনয় করছেন তেমনি কলকাতায়ও একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আর নিয়ে সেখানকার নায়িকাদের কিছুটা মাথা খারাপ অবস্থা। ঢাকার নায়িকা সেখানে পরপর ছবি করছেন বলেই এই সমস্যা। এমন তথ্য দিলো স্থানীয় আনন্দবাজার পত্রিকা।

সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে পত্রিকাটিকে এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, দেখুন জয়া আহসানকে যেমন এই ইন্ডাস্ট্রির দরকার, তেমন অন্য অভিনেত্রীদের দরকার। কেউ কারো জায়গা কেড়ে নিতে পারে না। আবার কেউ কারো পরিপূরক নয়। আমি তো কোয়েল বা নুসরাতকে দেখে অবাক হয়ে যাই। ওরা যেভাবে পারফর্ম করে, আমি তো পারি না।

সামনে মুক্তি পাচ্ছে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ‘কণ্ঠ’। এ ছবিতে স্পিচ থেরাপিস্টের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া। এ চরিত্রের প্রস্তুতি সম্পর্কে বলেন, আমার করা বাকি ছবির চেয়ে ‘কণ্ঠ’ আলাদা। সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প তো অনেক করলাম। ‘কণ্ঠ’ ভীষণ ইন্সপায়ারিং একটা ছবি। ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পও বলে। স্পিচ থেরাপিস্টের চরিত্রের জন্য ওয়ার্কশপ করেছি। তা ছাড়া শিবুদা-নন্দিতাদি তো ছিলেনই।

আপনার বাংলার সঙ্গে কলকাতার বাংলার ডায়লেক্টে তফাত আছে। এটা কি কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে?- এমন প্রশ্নে বলেন, প্রথমে করত। সেই জড়তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছি। এই শহরের সঙ্গে আত্মীয়তা তৈরি হয়েছে। এখানে এলে আপনাদের মতো করে কথা বলি। আবার বাংলাদেশে ওখানকার মতো।

কলকাতায় অভিনীত ছবির মধ্যে বিসর্জন, এক যে ছিল রাজা, কণ্ঠ, আবর্ত, ও ভালবাসার শহর পছন্দের বলে জানান জয়া।

তাকে প্রশ্ন করা হয়, টলিউডে আরবান ছবির অনেক অভিনেত্রীর মনে হয়, আপনার চরিত্রগুলো তারাও করতে পারতেন। জবাবে জয়া বলেন, এমনও তো হতে পারে, আমাকে দেখার পরে কোনও পরিচালকের মনে হল, এর জন্য একটা চরিত্র ভাবা যেতে পারে। কৌশিকদা (গঙ্গোপাধ্যায়) ‘বিসর্জন’ ভেবেছেন। আমি হয়তো কাউকে ইন্সপায়ার করেছি। খুব বেশি কাজ তো করি না। আমার মতে, ইন্ডাস্ট্রিতে সকলেরই কাজের সুযোগ আছে।