Saturday , May 25 2019

মাশরাফি পাতি নেতা, সেভেন-এইট পাশ, কটূক্তি ডাক্তারের

তিনি হীরা-চুনি-পান্না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষায়, ‘সোনার ছেলে’। তিনি মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রাণ-১৬ কোটির নয়নের মনি।

দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ারে মাশরাফি যেমনটা সফল, ঠিক তেমনেই রাজনীতিতে পা দিয়েও সফল। নড়াইল দুই আসন থেকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছেন তিনি।

আর এখন ক্রিকেট ক্যারিয়ারের মতো সফলতার লক্ষ্যে লড়ে যাচ্ছেন। চষে বেড়াচ্ছেন নড়াইলের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত।

তারই অংশবিশেষ ২৫ এপ্রিল বিকেলে আকস্মিকভাবে সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা। এসময় কর্তব্যরত ৩ চিকিৎসকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেখে তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর এবং পরে অনুপস্থিত সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আকরাম হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের সাথে কথা বলে তাদের কাছ থেকে নানা ধরনের সমস্যার কথাও শোনেন।

পরবর্তীতে দায়িত্বে অবহেলা ও অফিসের সময়ে অনুপস্থিত থাকার কারনে নড়াইল সদর হাসপাতালের ৪ চিকিৎসককে শাস্তিস্বরূপ ওএসডি (অন স্পেশাল ডিউটি) করা হয়েছে। আর এ ব্যাপারে ক্ষিপ্ত হয়েছেন এক চিকিৎসক। তিনি মাশরাফিকে নিয়ে কটুক্তি করেন। অন্য একজনের সঙ্গে কমেন্টে তার সেই কথোপকথনের স্কিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ডা. অশিত মজুমদার ও আমিনুল ইসলাম জুয়েল মাশরাফি সম্পর্কে যা বলেছেন তা গো নিউজের পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুরে ধরা হলো…

ফেসবুকে ডা. অশিত মজুমদার লিখেছেন, ‘মাশরাফিটা কে?

আবার আমিনুল ইসলাম জুয়েল লিখেছেন, ‘নড়াইলের কোনো পাতি নেতা টেতা হবে আর কি!’

অশিত পুনরায় লিখেছেন, ‘সে রকমই তো ক্ষেতের মত এটিচিউড করল।’

আমিনুল ইসলাম জুয়েল পুনরায় লিখেছেন, ‘কিছু বুঝে নাকি? সেভেন এইট পাশ মনে হয়।’

এদিকে বিষয়টি স্ক্রিনশটসহ ফেসবুকে আপ করা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে ম্যাশরাফি ভক্তরা। এমন কটূক্তিকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।